শ্রাবণের সোমবারে অবশ্যই করুন এই কাজ, মহাদেবের আশীর্বাদে জীবনে ফিরবে সুখ-সমৃদ্ধি

হিন্দু ধর্মে শ্রাবণ মাসকে পবিত্র মাস হিসেবে গণ্য করা হয়। এই মাস জুড়েই শিবের আরাধনা করা হয়। বিশ্বাস করা হয়, যে কোনও ভক্ত পূর্ণ নিষ্ঠার সঙ্গে শ্রাবণ মাসে শিবের পুজো করলে ভোলেনাথের আশীর্বাদ লাভ করেন। এবার ৪ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে ‘শ্রাবণ’। অতিরিক্ত মাসের কারণে এবার শ্রাবণ ২ মাসের। এতে ৮ টি সোমবার আসবে। বলা হয়, এই শুভ মাসে যদি কিছু বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া যায়, তাহলে শুরু হয়ে যায় শিবের আশীর্বাদ, চলে যায় সংসারের সমস্ত অশান্তি। আজকের প্রতিবেদনে জেনে নেওয়া যাক, সেই সব উপায় কী কী রয়েছে ‘শ্রাবণ’ মাসে।

যাঁরা পারিবারিক অশান্তির সঙ্গে লড়াই করছেন, তাঁরা রোজ সকালে ধূপ দিন এবং বাড়িতে গোমূত্র ছিটিয়ে দিন। এতে পরিবারে একাত্মতাবোধ তৈরি হয়। বিয়েতে আসা বাধা দূর করতে রোজ শ্রাবণ মাসে শিবলিঙ্গে কেশর মিশ্রিত দুধ দান করুন। এ কারণে অল্প বয়সে বিয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়। আর্থিক সঙ্কট কাটিয়ে উঠতে হলে শ্রাবণ মাসে শিব মন্দিরে গিয়ে শিবকে বেলপত্র ও ধতুরা নিবেদন করতে হবে। কথিত আছে, মহাদেবের কাছে এই দুটি জিনিসই অত্যন্ত প্রিয়। এই জিনিসগুলি অর্পণ করলে ভগবান শিব প্রসন্ন হন এবং সেই ব্যক্তির উপর তাঁর আশীর্বাদ বর্ষণ করেন।

প্রতিদিন ভোরে উঠে স্নান করুন। এর পর পাশের কোনও শিব মন্দিরে গিয়ে শিবের জলাভিষেক করুন। জল নিবেদনের পর শিবলিঙ্গে কালো তিল অর্পণ করুন এবং কিছুক্ষণ বসে থেকে ভোলেনাথের নাম জপ করুন। এতে মানসিক শান্তি পাওয়া যাবে। ধর্মীয় পণ্ডিতদের মতে, শ্রাবণ মাসে প্রতিদিন মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র জপ করা উচিত। এই জপ পাঠ করলে মানুষের উপর যে সমস্ত বাধা আসে তা দূর হয়ে যায় এবং মানুষ সুস্থ ও সুখী থাকে।

পিতৃদোষ থেকে মুক্তি পেতে হলে দরিদ্র মানুষকে শ্রাবণ মাসে খাওয়াতে হবে। এতে পিতৃপুরুষের আত্মা শান্তি পাবে। সেই সঙ্গে বাড়িতে কখনও দানার অভাব হবে না। এর সঙ্গেই শ্রাবণ মাসে নদী বা পুকুরে মাছ ধরতে গেলে ময়দার ট্যাবলেট খাওয়ানোও শুভ বলে মনে করা হয়।