এইভাবে বানিয়ে ফেলুন ‘পালং শাকের ঘণ্ট’, গরম ভাতের সঙ্গে জাস্ট জমে যাবে

ভালো রান্না করতে পারাটিও একটি আর্ট (Art)। যারা ভাল রান্না করতে জানেন তারা খুব সাধারণ একটি খাবারও অসাধারণ স্বাদের করে তুলতে পারেন। তবে বাড়ির বাচ্চারা একেবারেই শাকসবজি খেতে চায় না। কিন্তু শাকসবজি খাওয়া শরীরের জন্য খুবই উপকারী। শীতকালীন শাক এর মধ্যে একটি অন্যতম শাক হলো পালং শাক (Spinach) । এই শাক শরীরের জন্য খুবই উপকারী। বাচ্চারা সাধারণত এই শাক খেতে চান না। তবে যদি আপনি এইভাবে পালং শাকের ঘন্ট বানিয়ে নেন তবে তা স্বাদে হবে অতুলনীয় ।দেখে নিন সেই রেসিপি।

এই রান্নাটি করার জন্য উপকরণ হিসেবে লাগবে পালং শাক, কুচো চিংড়ি মাছ, কচু, সিম, বড়ি, তেজপাতা, শুকনো লঙ্কা,পাঁচফোড়ন, চেরা কাঁচালঙ্কা, আদা জিরে বাটা, হলুদ গুঁড়ো, নুন ও সরষের তেল।

রান্নাটি করার জন্য প্রথমে সবজিগুলিকে ভালো করে ধুয়ে ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিতে হবে। এরপরে চিংড়ি মাছ গুলোকে কড়াইতে তেল দিয়ে ভালো করে ভেজে নিতে হবে। এরপরে বড়িগুলোকে ভালো করে ভেজে নিতে হবে এবং সামান্য পরিমানে নুন ও হলুদ দিয়ে শিমগুলি কেও ভেজে নিতে হবে।

এরপরে কড়াইতে তেল গরম করে তাতে ফোড়ন হিসেবে দিতে হবে তেজপাতা ,শুকনো লঙ্কা ও পাঁচফোড়ন। এরপর নাড়াচাড়া করে তার মধ্যে দিয়ে দিতে হবে কচু, আলু ও বেগুনের টুকরো গুলি। আবারও কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে তার মধ্যে চেরা কাঁচালঙ্কা ও পেঁয়াজ কুচি দিয়ে ভালো করে ভেজে নিতে হবে।

এরপরে এর মধ্যে আদা ও জিরে বাটা , পরিমাণ মতো জল ও হলুদ গুঁড়ো দিয়ে ভালো করে নাড়াচাড়া করে পালং শাক ও কিছুটা নুন দিয়ে দিতে হবে। এরপরে কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে এটিকে সেদ্ধ করার জন্য কিছুক্ষণ ঢেকে রান্না করে নিতে হবে। এর পরে ঢাকনা খুলে ভেজে রাখার শিম, বড়ি ও ভাজা চিংড়ি মাছ দিয়ে দিতে হবে। তারপরে আবারো কিছুক্ষণ ঢেকে রান্না করতে হবে। তাহলেই তৈরি হয়ে যাবে দারুণ স্বাদের এই পালং শাকের ঘন্ট।